সহবাসের পদ্ধতি
বই : আদর্শ পরিবার
আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ
শিরোনাম
আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ
শিরোনাম
সহবাসের পদ্ধতি
আল্লাহ তা'আলা স্বামীর জন্য স্ত্রীর লজ্জাস্থানকে বৈধ করেছেন এবং পিছনের রাস্ত
কে হারাম করেছেন। সামনের দিক দিয়ে হােক, অথবা পিছনের দিক দিয়ে হােক,
দাঁড়িয়ে হােক অথবা বসে হােক, অর্থাৎ স্বামী তার ইচ্ছামত স্ত্রীর লজ্জাস্থানকে ব্যবহার
করবে। আল্লাহ তা'আলা স্বামীকে এব্যাপারে পূর্ণ অধিকার দিয়ে বলেন,
আল্লাহ তা'আলা স্বামীর জন্য স্ত্রীর লজ্জাস্থানকে বৈধ করেছেন এবং পিছনের রাস্ত
কে হারাম করেছেন। সামনের দিক দিয়ে হােক, অথবা পিছনের দিক দিয়ে হােক,
দাঁড়িয়ে হােক অথবা বসে হােক, অর্থাৎ স্বামী তার ইচ্ছামত স্ত্রীর লজ্জাস্থানকে ব্যবহার
করবে। আল্লাহ তা'আলা স্বামীকে এব্যাপারে পূর্ণ অধিকার দিয়ে বলেন,
{ نساؤكم حرث لكم فأتوا حرثكم أي شينتم}
‘তােমাদের স্ত্রীরা তােমাদের জন্য শস্যক্ষেত্র। তােমরা তােমাদের ইচ্ছামত
তাদেরকে ব্যবহার কর' (বাকারাহ ২২৩)। অত্র আয়াতে কোন নিয়ম বলা হয়নি।
বরং মানুষের ইচ্ছাই হচ্ছে নিয়ম।
عن جابر قال كانت اليهود تقول إذا أتى الرجل امرأته من دبرها
في قبلها كان الولد أحول فتزلت نساؤكم حرث لكم فأتوا حرثكم أي شيثم
: فقال رسول اللي ع مقبلة ومدبرة إذا كان في الفرج
তাদেরকে ব্যবহার কর' (বাকারাহ ২২৩)। অত্র আয়াতে কোন নিয়ম বলা হয়নি।
বরং মানুষের ইচ্ছাই হচ্ছে নিয়ম।
عن جابر قال كانت اليهود تقول إذا أتى الرجل امرأته من دبرها
في قبلها كان الولد أحول فتزلت نساؤكم حرث لكم فأتوا حرثكم أي شيثم
: فقال رسول اللي ع مقبلة ومدبرة إذا كان في الفرج
জাবির (রাঃ) বলেন, ইহুদীরা বলত, যদি স্বামী স্ত্রীর পিছন দিক দিয়ে তার
সম্মুখভাগে সহবাস করে তাহলে সন্তান টেরা চক্ষু বিশিষ্ট হবে। এর প্রতিবাদে আল্লাহ
তা'আলা এ আয়াত নাযিল করেন, “তােমাদের স্ত্রীরা তােমাদের জন্য শস্যক্ষেত্র। তােমরা
তাদেরকে তােমাদের ইচ্ছামত ব্যবহার কর'। রাসূল ৫ বলেন, সম্মুখ ও পিছন উভয়
দিক দিয়ে সহবাস করা যাবে যদি তা যৌনাঙ্গ হয়' (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৩১৮৩, বাংলা
মিশকাত হা/৩০৪৫, ‘বিবাহ’ অধ্যায়, সহবাস” অনুচ্ছেদ)।
সম্মুখভাগে সহবাস করে তাহলে সন্তান টেরা চক্ষু বিশিষ্ট হবে। এর প্রতিবাদে আল্লাহ
তা'আলা এ আয়াত নাযিল করেন, “তােমাদের স্ত্রীরা তােমাদের জন্য শস্যক্ষেত্র। তােমরা
তাদেরকে তােমাদের ইচ্ছামত ব্যবহার কর'। রাসূল ৫ বলেন, সম্মুখ ও পিছন উভয়
দিক দিয়ে সহবাস করা যাবে যদি তা যৌনাঙ্গ হয়' (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৩১৮৩, বাংলা
মিশকাত হা/৩০৪৫, ‘বিবাহ’ অধ্যায়, সহবাস” অনুচ্ছেদ)।
عن ابن عباس قال أوحي إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم
نساؤكم حرث لكم فأتوا حرثكم أقبل وأدبر وائق البر والحيضة
نساؤكم حرث لكم فأتوا حرثكم أقبل وأدبر وائق البر والحيضة
| ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, রাসূল g -এর নিকট অহী অবতীর্ণ হ’ল যে,
‘তােমাদের স্ত্রীরা তােমাদের জন্য শস্যক্ষেত্র। তােমরা তাদেরকে তােমাদের ইচ্ছামত
ব্যবহার কর'। সামনের দিক হ’তে সহবাস কর কিংবা পিছনের দিক হতে সহবাস
কর। তবে গুহ্যদ্বার ব্যবহার করা হতে এবং ঋতু অবস্থায় ব্যবহার করা হতে সাবধান
থাকবে’ (তিরমিযী, ইবনু মাজাহ, মিশকাত হা/৩১৯১, বাংলা মিশকাত হা/৩০৫৩, হাদীছ ছহীহ)।
‘তােমাদের স্ত্রীরা তােমাদের জন্য শস্যক্ষেত্র। তােমরা তাদেরকে তােমাদের ইচ্ছামত
ব্যবহার কর'। সামনের দিক হ’তে সহবাস কর কিংবা পিছনের দিক হতে সহবাস
কর। তবে গুহ্যদ্বার ব্যবহার করা হতে এবং ঋতু অবস্থায় ব্যবহার করা হতে সাবধান
থাকবে’ (তিরমিযী, ইবনু মাজাহ, মিশকাত হা/৩১৯১, বাংলা মিশকাত হা/৩০৫৩, হাদীছ ছহীহ)।
ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, আনছারী মূর্তিপূজকদের গােত্রটি ইহুদী আহলে
কিতাবদের গােত্রের সাথে বসবাস করত। আনছারগণ জ্ঞানের ব্যাপারে অনেক ক্ষেত্রেই
ইহুদীদের অনুসরণ করত। আর ইহুদীদের একটি অভ্যাস ছিল, তারা তাদের স্ত্রীদের
শুধুমাত্র একদিক দিয়ে সহবাস করত। এতে স্ত্রীরা সবচেয়ে বেশী আবৃত হত। ফলে
আনছারদের এই গােত্র ইহুদীদের এই কাজটি গ্রহণ করে। কুরাইশ গােত্র তাদের স্ত্রীদের
সাথে খােলাখুলি সহবাস করত এবং তাদেরকে সম্মুখ দিক দিয়ে, পিছন হতে, উপুড়
করে উপভােগ করত। অতঃপর মুহাজিরগণ যখন মদীনায় আগমন করলেন, তখন
কুরাইশদের একব্যক্তি এক আনছারী মহিলাকে বিবাহ করল। তাদের নিয়ম অনুসারে সে
তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করল। কিন্তু মহিলা তা খারাপ মনে করে বলল, আমাদেরকে
| শুধুমাত্র এক দিক দিয়েই সহবাস করা হয়। অতএব তুমি তাই কর, নইলে আমার সাথে
সহবাস করা থেকে বিরত থাক। অবশেষে ব্যাপারটি বিরাট আকার ধারণ করল। এই
সংবাদ রাসূল ৫-এর নিকট পৌছে গেল। তখন আল্লাহ তা'আলা এই আয়াত নাযিল
করেন, “তােমাদের স্ত্রীরা তােমাদের জন্য শস্যক্ষেত্র। তােমরা তাদেরকে তােমাদের
ইচ্ছামত ব্যবহার কর’ (বাকারাহ ২২৩; আবুদাউদ হা/২১৬৪, 'বিবাহ' অধ্যায়, সহবাস’ অনুচ্ছেদ)।
কিতাবদের গােত্রের সাথে বসবাস করত। আনছারগণ জ্ঞানের ব্যাপারে অনেক ক্ষেত্রেই
ইহুদীদের অনুসরণ করত। আর ইহুদীদের একটি অভ্যাস ছিল, তারা তাদের স্ত্রীদের
শুধুমাত্র একদিক দিয়ে সহবাস করত। এতে স্ত্রীরা সবচেয়ে বেশী আবৃত হত। ফলে
আনছারদের এই গােত্র ইহুদীদের এই কাজটি গ্রহণ করে। কুরাইশ গােত্র তাদের স্ত্রীদের
সাথে খােলাখুলি সহবাস করত এবং তাদেরকে সম্মুখ দিক দিয়ে, পিছন হতে, উপুড়
করে উপভােগ করত। অতঃপর মুহাজিরগণ যখন মদীনায় আগমন করলেন, তখন
কুরাইশদের একব্যক্তি এক আনছারী মহিলাকে বিবাহ করল। তাদের নিয়ম অনুসারে সে
তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করল। কিন্তু মহিলা তা খারাপ মনে করে বলল, আমাদেরকে
| শুধুমাত্র এক দিক দিয়েই সহবাস করা হয়। অতএব তুমি তাই কর, নইলে আমার সাথে
সহবাস করা থেকে বিরত থাক। অবশেষে ব্যাপারটি বিরাট আকার ধারণ করল। এই
সংবাদ রাসূল ৫-এর নিকট পৌছে গেল। তখন আল্লাহ তা'আলা এই আয়াত নাযিল
করেন, “তােমাদের স্ত্রীরা তােমাদের জন্য শস্যক্ষেত্র। তােমরা তাদেরকে তােমাদের
ইচ্ছামত ব্যবহার কর’ (বাকারাহ ২২৩; আবুদাউদ হা/২১৬৪, 'বিবাহ' অধ্যায়, সহবাস’ অনুচ্ছেদ)।
এই বিবরণের সারমর্ম হচ্ছে, স্বামী তার স্ত্রীকে নিজের ইচ্ছামত উপভােগ করবে।
উপভােগের উদ্দেশ্য হবে সন্তান লাভ। তবে স্ত্রীর গুহ্যদ্বার ব্যবহার করা থেকে সাবধান
ও সতর্ক থাকতে হবে।
উপভােগের উদ্দেশ্য হবে সন্তান লাভ। তবে স্ত্রীর গুহ্যদ্বার ব্যবহার করা থেকে সাবধান
ও সতর্ক থাকতে হবে।
عن أم سلمة قالت لما قدم المهاجرون المدينة على الأنصار تزوجوا
من نسائهم وكان المهاجرون يجون وكانت الأنصار لا تجبي فأراد
رجل من المهاجرين امرأته على ذلك فأبت عليه حتى تسأل رسول اللع
قالت فأتته فاستحيت أن تسأله فسألثه أم سلمة فتزلت نساؤكم حرث لكم
فأتوا حرثكم أنى شئتم وقال لا إلآ في صيام واحد
من نسائهم وكان المهاجرون يجون وكانت الأنصار لا تجبي فأراد
رجل من المهاجرين امرأته على ذلك فأبت عليه حتى تسأل رسول اللع
قالت فأتته فاستحيت أن تسأله فسألثه أم سلمة فتزلت نساؤكم حرث لكم
فأتوا حرثكم أنى شئتم وقال لا إلآ في صيام واحد
উম্ম সালামা (রাঃ) বলেন, মুহাজিরগণ মদীনায় আনছারগণের নিকট আসলেন
এবং তাদের মহিলাদের বিবাহ করলেন। মুহাজিরদের অভ্যাস ছিল স্ত্রীদেরকে উপুড়
করে পিছন দিক দিয়ে লজ্জাস্থানে সহবাস করা। কিন্তু আনছারদের এ অভ্যাস ছিল না।
মুহাজিরদের একজন তাদের অভ্যাস অনুযায়ী তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করার ইচ্ছা
করলে তার স্ত্রী নাকচ করে দিয়ে বলল, রাসূল ৫-কে জিজ্ঞেস না করা পর্যন্ত আমি এতে
রাযী নই। মহিলাটি রাসূল ৫-এর নিকট আসল। কিন্তু তাকে জিজ্ঞেস করতে লজ্জাবােধ
করল। উম্মু সালামা (রাঃ) বিষয়টি রাসূল ৫-এর নিকট পেশ করলেন। তখন এ আয়াত
অবতীর্ণ হ’ল“তােমাদের স্ত্রীরা তােমাদের জন্য শস্যক্ষেত্র। তােমরা তাদেরকে
তােমাদের ইচ্ছামত ব্যবহার কর' (বাকারাহ ২২৩)। রাসূল বললেন, এভাবে সহবাস
করলে কোন দোষ নেই। তবে সহবাসের একটি মাত্র রাস্তা হচ্ছে লজ্জাস্থান' (আহমাদ,
হাদীছ ছহীহ, আদাবুয যিফাফ ১০২ পৃষ্ঠা)।
এবং তাদের মহিলাদের বিবাহ করলেন। মুহাজিরদের অভ্যাস ছিল স্ত্রীদেরকে উপুড়
করে পিছন দিক দিয়ে লজ্জাস্থানে সহবাস করা। কিন্তু আনছারদের এ অভ্যাস ছিল না।
মুহাজিরদের একজন তাদের অভ্যাস অনুযায়ী তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করার ইচ্ছা
করলে তার স্ত্রী নাকচ করে দিয়ে বলল, রাসূল ৫-কে জিজ্ঞেস না করা পর্যন্ত আমি এতে
রাযী নই। মহিলাটি রাসূল ৫-এর নিকট আসল। কিন্তু তাকে জিজ্ঞেস করতে লজ্জাবােধ
করল। উম্মু সালামা (রাঃ) বিষয়টি রাসূল ৫-এর নিকট পেশ করলেন। তখন এ আয়াত
অবতীর্ণ হ’ল“তােমাদের স্ত্রীরা তােমাদের জন্য শস্যক্ষেত্র। তােমরা তাদেরকে
তােমাদের ইচ্ছামত ব্যবহার কর' (বাকারাহ ২২৩)। রাসূল বললেন, এভাবে সহবাস
করলে কোন দোষ নেই। তবে সহবাসের একটি মাত্র রাস্তা হচ্ছে লজ্জাস্থান' (আহমাদ,
হাদীছ ছহীহ, আদাবুয যিফাফ ১০২ পৃষ্ঠা)।
0 Response to "সহবাসের পদ্ধতি"
Post a Comment