বিয়ের বয়স


বই : আদর্শ পরিবার
আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ
শিরোনাম
বিয়ের বয়স
এ দেশের সামাজিক আইনে দেখা যাচ্ছে যে, ছেলে ও মেয়ের বিয়ের জন্য একটি
বয়স নির্ধারণ করা হয়েছে। যার কমে ছেলে-মেয়ের বিয়ে দেয়া যাবে না। কুরআনের
স্পষ্ট ঘােষণা এবং নবী g -এর কর্ম ও তাঁর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত ঘটনাবলীর ভিত্তিতে
এই সামাজিক আইন অগ্রাহ্য এবং ভিত্তিহীন। নির্ধারিত সময়ের পূর্বে বিয়ে জায়েয নয়
বলে আইন জারি করা আদৌ যুক্তিসঙ্গত হতে পারে না।
عن عاﺉشة أن النبي ع تزوجها وهي بنت سبع سنين وزقت إليه
وهي بنت تسع سنين ولعبها معها ومات عنها وهي بنت كمان عشرة
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী যখন তাকে বিয়ে করেন, তখন তার বয়স
ছিল সাত বৎসর। আর যখন তাকে বাসর ঘরে পাঠানাে হয়, তখন তার বয়স হয়েছিল
নয় বৎসর। তখন তার সাথে তার খেলনা ছিল। আর যখন তাকে ছেড়ে নবী & ইহলােক
ত্যাগ করেন তখন তার বয়স ছিল আঠারাে বৎসর (মুসলিম, মিশকাত হা/৩১২৯, ‘বিবাহ” অধ্যায়,
‘ওয়ালীমা’ অনুচ্ছেদ; বাংলা মিশকাত হা/২৯৯৫)।
| অন্য বর্ণনায় বলা হয়েছে, বিয়ের সময় আয়েশা (রাঃ)-এর বয়স ছিল ছয় বৎসর
(মুসলিম ১/৪৫১ পৃষ্ঠা)।
অত্র হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, নবী নিজে আয়েশা (রাঃ)-কে ছয় কিংবা নয়
বছর বয়সে বিয়ে করেন। কাজেই স্পষ্টভাবে বুঝা যায় যে, ইসলামে ছেলে-মেয়ের
বিয়ের জন্য কোন নিম্নতম বয়স নির্ধারণ করা হয়নি। যে কোন বয়সের ছেলে-মেয়েকে
যে কোন সময় অনায়াসেই বিয়ে দেয়া যেতে পারে। অবশ্য ইসলামী শরী'আতে ছােট
বয়সে ছেলে-মেয়েকে বিয়ে দিতে আদেশ করা হয়নি কিংবা সে জন্য উৎসাহও দেয়া
হয়নি।

Subscribe to receive free email updates:

0 Response to "বিয়ের বয়স"

Post a Comment