নেককার স্ত্রী নির্বাচন করা উচিত


বই 
আদর্শ পরিবার
আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ
শিরোনাম      

নেককার স্ত্রী নির্বাচন করা উচিত



স্ত্রী নির্বাচনের সময় তার দ্বীনদারী ও পরহেযগারীতাকেই প্রাধান্য দেয়া উচিত।
মেয়ের দ্বীনদারী গুণটিই ইসলামের দৃষ্টিতে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। দ্বীনদারী ও চরিত্রবতী
মেয়ে পাওয়া গেলে তাকেই বিয়ে করা উচিত। তাকে বাদ দিয়ে অপর কোন গুণ সম্পন্না।
মেয়েকে বিয়ে করতে আগ্রহী হওয়া উচিত নয়। 
عن أبي هريرة رضي الله عنه عن النبي ع قال ثنكح المرأة لأربع
مالها ولحسبها وجمالها ولدينا فاظفر بذات الدين تربت يداك
আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, নবী ও বলেছেন, নারীকে চারটি কারণে বিয়ে করা
হয়। তার অর্থ, তার বংশ মর্যাদা, তার সৌন্দর্য এবং দ্বীনদারীর কারণে। রাসূল ৫
বললেন, তুমি দ্বীনদার মেয়েকে অগ্রাধিকার দাও। তােমার হাত ধূলিমলিন হােক' (বুখারী,
মুসলিম, মিশকাত হা/৩০৮২, বাংলা মিশকাত হা/২৯৪৬)।
অত্র হাদীছে রাসূল বিয়ে করার ব্যাপারে চারটি বিষয়ে পুরুষদেরকে চিন্তা করার
কথা উল্লেখ করেছেন। তবে রাসূল ও পুরুষকে তিনটি বিষয়ের প্রতি ভ্রুক্ষেপ না করে
শুধুমাত্র দ্বীনদারীকে প্রাধান্য দিতে বলেছেন। যারা বলেন, রাসূল & মেয়েদের চারটি গুণ
দেখতে বলেছেন, তারা ভুল বলেন। হাদীছের সারমর্ম চারটি গুণ নয় বরং একটি গুণ।
عن عبد الله بن عمرو بن العاصي قال قال رسول الله ع إن الدنيا
كلها متاع وخير متاع الدنيا المرأة الصالحة
আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) বলেন, রাসূল বলেছেন, দুনিয়ার সব জিনিসই
ভােগ ও ব্যবহারের সামগ্রী। আর ভােগ ও ব্যবহারের সবচেয়ে উত্তম সম্পদ হচ্ছে সৎ
চরিত্রবান স্ত্রী' (মুসলিম, মিশকাত হা/৩০৮৩, বাংলা মিশকাত হা/২৯৪৯, বিবাহ অধ্যায়)। অত্র হাদীছ
দ্বারা সচ্চরিত্রবান ও নেক্কার স্ত্রী নির্বাচন করার প্রতি উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, অর্থশালী ও সুন্দরী মেয়েদেরকে বিবাহ করা যাবে না প্রমাণে
হাদীছগুলি যঈফ (যঈফ ইবনু মাজাহ হা/১৮৫৯)।

Subscribe to receive free email updates:

0 Response to "নেককার স্ত্রী নির্বাচন করা উচিত"

Post a Comment